1. admin@notunsangbad.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন

খালা মামার দাপটে অপরাধ করেন সেজান ** গাজীপুর সদর থানায় ভুক্তভোগীর জিডি

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১০ জুন, ২০২২
  • ১৪৪ বার পঠিত
সৈয়দ জাকারিয়া গাজীপুর সদর থেকেঃ
ইজাজ অাহমেদ সেজান, প্রতারণার সকল শাখাতেই তার বিচরন। শ্রীপুর থানা, গাছা থানার পর এবার অভিযোগ দায়ের হয়েছে গাজীপুর সদর থানাতে। ইজাজ অাহমেদ সেজানের সাবেক সহকর্মী ফারজানা অাক্তার রনী বাদী হয়ে গত ৮ জুন গাজীপুর সদর থানায় ডায়েরি করেছেন। জিডি নং – ৬৭০/২২ অভিযোগের বিবরণ থেকে পাওয়া যায়, গত ২৭ জানুয়ারি বিবাদী ইজাজ অাহমেদ সেজান ম্যাপ এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি থেকে ৪ কোটি টাকা চুরির অপরাধে চাকুরীচ্যুত হন। এরপর থেকেই গাজীপুর ফাওগান বাজারের পাশে অবস্থিত ম্যাপ এগ্রো ইন্ডাস্ট্রির সুপারভাইজার ফারজানা অাক্তার রনীকে নানা ভাবে হয়রানি করে অাসছে এই সেজান। গত ১ জুন গাজীপুর জয়দেবপুর রেল স্টেশনের সামনে অঙাত সহযোগিদের নিয়ে হামলাকরে ইজাজ অাহমেদ সেজান । চর থাপ্পর দিয়ে, জীবন নাশের হুমকি প্রদান করেন বখাটে সেজান। অভিযোগ কারী রনী বলেন, দের বছর অাগে চাকুরী সুত্রে পরিচয় সেজানের সাথে, ফ্যাক্টরির দায়িত্বে থাকাকালীন মালিকের সরলতার সুযোগে কোটি টাকা লোপাট করেন এই সেজান। চুরি ধরা পরে চাকুরি হারান। এরপর থেকে অামি সহ অামার অনেক সহকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। ভারতীয় নাগরিক মোশাররফ হোসেন সুরাইয়া বিবির সন্তান এই বখাটে ইজাজ অাহমেদ সেজান। ২০১৭ সালে মার্ডার মামলার অাসামী হয়ে চলে অাসে বাংলাদেশে। গাছা থানার জাঝরের বাসিন্দা মামা মাহবুব ফকির ও খালা ফাতেমা অাক্তারের ছত্র ছায়ায় বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করে থাকে এই নেশাগ্রস্ত সেজান। জন্মসুত্রে ভারতীয় হলেও নকল এনঅাইডি তৈরি করেছেন ইজাজ অাহমেদ সেজান। ম্যাপ এগ্রোর হেড অফিসে যোগাযোগ করা হলে কোম্পানির জিএম অানসার অালী জানান, অাবু মাহফুজুল অাজম এবং সেজানের বিরুদ্ধে অাইনী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দুজনই চুরির সাথে জড়িত। তিনি অারো বলেন এই দুজন শুধু টাকা অাত্নসাত করেননী, কোম্পানির সুনামও নস্ট করেছেন ভিষণভাবে। তাদের নামে গাজীপুরের তিনটি থানায় অাভিযোগ রয়েছে। এদিকে সরেজমিনে তদন্তে গেলে ইজাজ অাহমেদ সেজানকে পাওয়া যায়নী, খালা ফাতেমা অাক্তার বলেন,সেজান চাকরি করে মাঝে মাঝে টাকা পাঠাতো অামি সরল মনে একাউন্টে জমা রেখেছি। শুধু অামার কাছেই টাকা রাখতো না। অামার ভাই মাহবুব ফকিরের একাউন্টেও টাকা রাখতো। সামান্য কর্মচারী হয়েও লাখ লাখ টাকা কিভাবে পাঠাতো এমন প্রশ্ন করা হলে ফাতেমা বলেন, অামি এতো কিছু জানি না। গাজীপুর সদর থানার এসঅাই অাশিকুল ইসলাম বলেন, সেজান একজন প্রতিষ্ঠিত প্রতারক। পারিবারিক ভাবে খারাপ শিক্ষা পেয়েছে সে, সেজান তথ্য গোপন করে এনঅাইডি তৈরি করে থাকলে রাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করবেন।
এদিকে,প্রতারক, নারী লোভী, বাটপার, পলাতক অাসামী, ইজাজ অাহমেদ সেজানের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন গাজীপুরের সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর..
© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2022 Notun Sangbad © মিডিয়া বাংলাদেশের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
Theme Customized By Theme Park BD