1. admin@notunsangbad.com : admin :
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আকিজ গ্রুপে চাকরির খবর ২০২৩। চাকরির খবর সাপ্তাহিক পত্রিকা মধুখালীতে উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় ইসির সঙ্গে বৈঠকের আমন্ত্রণ পেলেন গণমাধ্যম সম্পাদকরা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ বিনামূল্যে প্রদর্শনের আবেদনের পরদিনই মিলবে ভারতের মেডিকেল ভিসা অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ অনিবন্ধিত অনলাইন আজকের দেশ ডটকমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন, প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড ।। সাংবাদিকের অনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা এফবিসিসিআই’র গুলশান শাখা অফিসের যাত্রা শুরু বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ-ডিম-আলু আশা করি, তারা এবারও নির্বাচনে অংশ নেবে

বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ-ডিম-আলু

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৫৬ বার পঠিত
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) বলছে, সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতার কারণে চাল, আলু আর পেঁয়াজের দাম বেড়েছে৷ ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো ডিম, আলু ও পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিল সরকার। কিন্তু সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে আগের বাড়তি দামেই এগুলো বিক্রি হচ্ছে বাজারে।

প্রতিটি ফার্মের ডিমের দাম ১২ টাকা, আলু খুচরা পর্যায়ে ৩৫-৩৬ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৬৪-৬৫ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। অথচ নির্ধারণ করে দেওয়ার ১৫ দিন পরেও বাজারে এসব দ্রব্যের দাম কার্যকর হয়নি।

শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফার্মের ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায়। আর প্রতি হালি (৪ পিচ) বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। ফলে একটি ডিমের দাম পড়ছে ১৩ টাকা ৭৫ পয়সা। অথচ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ডিমের দাম বেঁধে দিয়েছিল সর্বোচ্চ ১২ টাকা।


একইভাবে বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, যেখানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এর দাম বেঁধে দিয়েছিল ৩৫-৩৬ টাকা। ফলে নির্ধারিত দামের চেয়ে কেজিতে ১৪ /১৫ টাকা বেশি বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে দেশি পেঁয়াজের দাম সরকার ৬৪/৬৫ টাকা বেধে দিলেও বাজারে এর চেয়ে ১৫ থেকে ২৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ট্রেডিং কর্পোরেশন অফ বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, সবশেষ কর্মদিবসে বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা কেজি দরে, আর আলু বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪৫ টাকা কেজি দরে। সেই সঙ্গে ডিম প্রতি হালি সর্বোচ্চ ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

টিসিবির সহকারী পরিচালক (বাজার তথ্য) নাসির উদ্দিন জানান, যেই পেঁয়াজ বর্তমান বাজারে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গত বছর এই সময় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৮ থেকে ৪৫ টাকায়। সেই হিসেবে এক বছরে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৯৮ দশমিক ৮০ শতাংশ।

একইভাবে যে আলু বর্তমানে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে গত বছর এই সময় সেই আলু বিক্রি হয়েছে ২৩ থেকে ৩০ টাকায়। ফলে এক বছরে আলুর দাম বেড়েছে ৬৪ দশমিক ১৫ শতাংশ। পাশাপাশি ডিমের দাম এক বছরে বেড়েছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ।

বাজারের এমন পরিস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। তারা বলছে, সরকার দাম নির্ধারণ করে দিলেও আমরা ক্রেতারা এসব আলু, ডিম, পেঁয়াজ এখনও বাড়তি দামেই কিনছি। বাজার মনিটরিং যদি না থাকে তাহলে দাম নির্ধারণ করে দিয়ে কি লাভ হলো? দাম নির্ধারণের আগেও যে দামে কিনেছি এখনও সেই বাড়তি দামেই কিনছি।

রাজধানীর মহাখালী বাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা হাবিবুর রহমান একজন বেসরকারি চাকরিজীবী। তিনি বাজারের এই পরিস্থিতি বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাজারে এমন কিছু নেই যার দাম বাড়তি না। এই পরিস্থিতিতে আমরা সাধারণ ক্রেতারা খুব খারাপ অবস্থায় আছি।

সব কিছুর দাম বাড়তি এর মধ্যে বাজার মনিটরিংয়ের কোনো উদ্যোগ দেখছি না। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো যেগুলোর দাম সরকার কমালো সেগুলোও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ, আলু, ডিমের দাম সরকার নির্ধারণ করে দিলেও তারচেয়ে অনেক বেশি দামে আমাকে এগুলো কিনতে হলো। তাহলে লোক দেখানো দাম নির্ধারণের প্রয়োজন কি ছিল। নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বাড়তি দামে এগুলো বাজারে ওপেন বিক্রি হচ্ছে অথচ দেখার কেউ নেই।


সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়েও কেন বেশি দামে ডিম, আলু, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে গুলশান সংলগ্ন বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী এরশাদ আলী বলেন, এই বাড়তি দামের বিষয়ে আমাদের কোনো হাত নেই।

আমরা যে দামে কিনে আনি, অল্প কিছু লাভ করে বিক্রি করি। কারা দাম বাড়িয়ে রেখেছে তা বড় বড় ব্যবসায়ীরা বলতে পারবে। আমরা যখন কম দামে ডিম, আলু, পেঁয়াজ কিনতে পারব তখন কম দামে বিক্রি করতে পারব।
Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ নতুন সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park